এস,কে পাল সমীর, পাংশা : রাজবাড়ীর পাংশায় এক ব্যবসায়ীর পাটখড়ির পালানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিপরীতে অভিযুক্ত পরিবার ও এলাকাবাসী এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজবাড়ী–কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মাছপাড়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে পাংশা জুট মিল প্রজেক্ট এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ পাটখড়ি পুড়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পাটখড়ির ব্যবসায়ী মাসুদ শেখ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের ফলিমারা গ্রামের রফিকুল আলম ওরফে রবি মাস্টারের ছেলে রকির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে অভিযুক্ত করেন। অভিযোগে বলা হয়, রকি ও তার সহযোগীরা পাটখড়ির পালানে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।
তবে অভিযুক্ত রকির পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রকির পিতা বলেন, আমাদেরকে জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ওইদিন আমার ছেলে পরীক্ষা দিয়ে দেড়টার সময় বাড়ি ফিরে গোসল খাওয়া-দাওয়া শেষে পড়তে বসে।
অভিযুক্ত রকি বলেন, ১০ তারিখে যে ঘটনা ঘটে ওই ঘটনায় আমি ও জায়গায় যাই নাই , ছিলামও না। আমি তখন বাড়িতে বাবার সাথে ছিলাম।
এলাকাবাসী বলেন, ঘটনার সময় আমি ওইখানে ধান নাড়ছিলাম। হঠাৎ দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। ওই সময় রকি ওই জায়গায় ছিলো না।
অপর একজন বলেন, রকি ছেলেটা ভালো, সে কোন নেশায় জড়িত না। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
এসময় এলাকাবাসী একযোগে ফলিমারা গ্রামের ৩জন ছেলেকে জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবী করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






