এস,কে পাল সমীর, পাংশা : রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কমিউনিটি ক্লিনিক তালাবদ্ধ রাখা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নাছিমা আক্তার।
সম্প্রতি ‘দৈনিক বাংলার কণ্ঠ’ নামে একটি ফেসবুক পেইজে ক্লিনিকটি নিয়মিত বন্ধ থাকে এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অনিয়ম হচ্ছে—এমন অভিযোগে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
তবে এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে নাছিমা আক্তার বলেন, “আমি নিয়মিতভাবে ক্লিনিকে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছি। তারা যেদিন ভিডিও করেছে সেদিন আমি পাংশা মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষায় মেডিকেল টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। কিন্তু একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, ক্লিনিকের কার্যক্রম নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং রোগীদের নিয়মিত সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও সম্প্রতি হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেকারণে হাবাসপুর ইউনিয়নে আমাকেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এছাড়াও কোনো কারণে সাময়িকভাবে ক্লিনিক বন্ধ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেই করা হয়।
নাছিমা আক্তার দাবি করেন, “আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি চক্র অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
তিনি সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গিয়াস উদ্দিন খান বলেন, “হাবাসপুর সিসি নিয়ে যে ভিডিও ফেসবুকে ছাড়া হয়েছে সেটি আমি দেখেছি। ওই সিসির দায়িত্বরত সিএইচসিপি সেদিন মেডিকেল টিমে ছিলো। কোন সিএইচসিপি ব্যক্তিগত কাজে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রাখা ও দায়িত্ব অবহেলা করার সুযোগ নাই। এমন কাজ যদি কেউ করে থাকে তবে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”








