২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | বুধবার

পাংশায় লিজা হেলথ্ কেয়ারে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রধান আসামি গ্রেফতার

পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর পাংশায় লিজা হেলথ্ কেয়ারে চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি মোঃ রেজাউল করিম ওরফে রাজা খান (৫৫)কে গ্রেফতার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রেজাউল করিম ওরফে রাজা খান পাংশা পৌর শহরের মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের জুলমত খানের ছেলে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাংশা পৌরসভার মাগুরাডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা মোঃ রেজাউল করিম ওরফে রাজা খান, হালিম শেখ (৪০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জন দীর্ঘদিন ধরে পাংশা থানার নারায়ণপুর এলাকায় অবস্থিত লিজা হেলথ কেয়ার-এর কাছে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা এবং ক্লিনিকের শেয়ার দাবি করে আসছিলেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এ দাবিতে সম্মত না হওয়ায় আসামিরা বিভিন্ন সময় ক্লিনিকের লোকজনকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে প্রধান আসামি রাজা খান ক্লিনিক থেকে চাঁদার নামে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। সম্প্রতি পুনরায় চাঁদা দাবি করলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং সুযোগ পেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে পাংশা থানার মাগুরাডাঙ্গী এলাকায় সাবেক কমিশনার খালেদ ফজলুল্লাহর বাড়ির সামনে পাকা সড়কে লিজা হেলথ্ কেয়ারের পরিচালক খন্দকার মাহবুব হোসেন রিপন (৫৮)-এর পথরোধ করে আসামিরা। এ সময় তারা তার কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ইট দিয়ে আঘাত করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় খোন্দকার মাহবুব হোসেন রিপন বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৮, তারিখ ০৯ জুন ২০২৬।

 

পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Scroll to Top