অপেক্ষা
মিনতি বালা
পরন্ত বিকেলে একমুঠো রোদ হাসে উঠোনকোণে,
তোমার পায়ের শব্দের অপেক্ষায় কান পেতে থাকি।
মস্তিষ্কের ভেতরে আন্দোলন করে অস্ফুট ভাবনা।
সদর দরজার খিল আর আঁটা নেই—অনায়াসেই আসতে পারো!
একদিন হারিয়ে গিয়েছিলে ভিড়ের মাঝে,
আমি অপেক্ষা করি সত্যের আয়নায় নিজেকে চিনতে।
অনেক কাল পার হয়ে যায়, স্বপ্নের পা খাটো হয়ে আসে,
দুর্বল শরীরে কী ভয়ানক শক্তি রুখে দাঁড়ায়!
জয় তোমারই—এই হার তার চেয়েও দামী প্রকৃতির দান!
অহংকার করবার যা কিছু, বিসর্জনের দরিয়ায় ভেসে যাক।
আজ শুধু অপেক্ষা শত আয়োজনে, বাহারি স্বপ্নমেলায়।
সবকিছুর শেষ থাকে না, শেষেও থেকে যায় থাকা।
অনবদ্য অমীমাংসিত প্রত্যাশার মৃতদেহে চারাগাছের জন্ম হয়,
শাখা-প্রশাখায় প্রসারিত শীতল ছায়ায় আশ্রয়।
এ কেবল অপেক্ষা আর আগমন-সন্ধির শুভ মুহূর্ত।
মাটি আঁকড়েই শেকড়ের জীবন!
শত যুগ পার হয়ে যায় অনন্ত কালের এই অপেক্ষা।





